জেসমিন মলি ও মনজুরুল ইসলাম | ২০১৫-১২-২৪ ইং
গত পাঁচ বছরে কেনা হয়েছে সম্পূর্ণ নতুন ছয়টি বোয়িং উড়োজাহাজ। লিজ নেয়া হয়েছে আরো চারটি। পাশাপাশি নিয়োগ দেয়া হয়েছে নতুন বৈমানিক। উন্নত যাত্রীসেবা নিশ্চিতে নেয়া হয়েছে আরো কিছু পদক্ষেপ। সরকারি এসব সহযোগিতা সত্ত্বেও এগোতে পারছে না রাষ্ট্রায়ত্ত উড়োজাহাজ পরিবহন সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।


বাংলাদেশ থেকে বিদেশে অর্থ পাচার ক্রমেই বাড়ছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটির (জিএফআই) তথ্যমতে, ২০১১ সালে দেশ থেকে পাচার হয়েছিল ৪ হাজার ৭৪৪ কোটি টাকা। ২০১২ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৪ হাজার ২৪০ কোটি টাকা। যদিও তা অনুসন্ধানে খুব বেশি আগ্রহী নয় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অর্থ পাচারের কিছু অভিযোগ তারা অনসুন্ধান করলেও তা রাজনীতি সংশ্লিষ্ট।
বেসিক ব্যাংকের গুলশান শাখার গ্রাহক টেকনো ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির নামে ৮৪ কোটি টাকা ঋণ মঞ্জুরের বিষয়ে আপত্তি তুলেছিল শাখা ও প্রধান কার্যালয়ের ঋণ কমিটি। তা আমলে না নিয়ে ২০১২ সালের ৩১ জুলাই অনুষ্ঠিত ৩১৪তম বোর্ডসভায় ঋণটি অনুমোদন করা হয়।
প্রয়োজনের অতিরিক্ত জনবল নিয়োগই কেবল নয়; জীবনবৃত্তান্তের সঙ্গে চিরকুট লিখে পদ-পদবিও নির্ধারণ করে দিতেন বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হাই বাচ্চু। চেয়ারম্যানের নিয়মবহির্ভূত এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করত ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পর্ষদ। আবদুল হাই বাচ্চুর সময় এভাবেই জনবল নিয়োগ ও পদায়ন হতো রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংকে।

